অ্যালার্জি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়ঃ
এরকম সকল রোগের ঘরোয়া প্রতিকার পাবার জন্য আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন ঃ
প্রত্যেকটি পরিবারের সদস্যদের কারও না কারও অ্যালার্জির সমস্যা দেখা যায়। ধুলোবালি থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাবার এমনকি ওষুধের প্রতিক্রিয়াতেও অনেকের অ্যালার্জি বেড়ে যায়। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে অনেকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবন করেন। কিন্তু ঘরোয়া পদ্ধতিতেও অ্যালার্জি প্রতিরোধ করা সম্ভব। কিন্তু কীভাবে?
এ জন্য কয়েকটি ঘরোয়া উপায় জেনে নিন। তবে অ্যালার্জির পরিমাণ বেড়ে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
এয়ার ফিল্টার : আপনি যদি অ্যালার্জির সমস্যায় ভোগেন তা হলে ঘরে অবশ্যই একটি এয়ার ফিল্টার রাখার চেষ্টা করুন। এ ক্ষেত্রে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন পার্টিকুলেট এয়ার ফিল্টারগুলো সবচেয়ে বেশি কার্যকর। এয়ার ফিল্টারের কাজ হলো ঘরের বাতাসকে ফিল্টার করা। ধূলিকণাসহ পোষ্যের শরীরের লোম ইত্যাদি অ্যালার্জেন বস্তুকে ফিল্টার করে এয়ার ফিল্টার। এতে অ্যালার্জির সমস্যা অনেকটাই কমে।
ভিটামিন সি : শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা সবসময়ই পাতে রাখা চাই ভিটামিন ‘সি’। সবাই জানেন ভিটামিন ‘সি’ শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অ্যালার্জি সাধারণত ইমিউন সিস্টেমের গোলযোগের কারণে ঘটে। তাই প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে ভিটামিন ‘সি’ গ্রহণ করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের হিস্টামিনের মাত্রা কমাতে দৈনিক অবশ্যই ২ হাজার মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ গ্রহণ করা উচিত।
পেপারমিন্ট অয়েল : ১৯৯৮ সালের এক গবেষণা অনুসারে, পেপারমিন্ট অয়েলে আছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য। যা শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও শ্বাসনালীর সমস্যা, হাঁপানি ও অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের লক্ষণগুলোও কমায়। অ্যালার্জির কারণে ত্বক লালচে হয়ে ফুলে ওঠা বা র্যাশ বের হলে এই তেল ব্যবহার করতে পারেন।
মধু : আয়ুর্বেদের তথ্য মতে, মধু খেলে অ্যালার্জির সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। এমনকি অ্যালার্জি থেকে হওয়া বিভিন্ন প্রতিক্রিয়াও সারিয়ে তোলে মধু। এ জন্য প্রতিদিন অন্তত এক চামচ করে হলেও মধু খান। যদিও এ বিষয়ে কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
অ্যালার্জি থেকে মুক্ত থাকার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো যে বস্তুতে অ্যালার্জি রয়েছে, তার সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা। যেমন, যার ডিটারজেন্ট বা সাবানে অ্যালার্জি, তিনি বাসনকোসন, কাপড়চোপড় ধোয়ার সময় হাতে গ্লাভস পরবেন। যার অলঙ্কারে অ্যালার্জি, তিনি তা ব্যবহার থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করবেন। এ ক্ষেত্রে রোগীর যেসব বস্তুতে অ্যালার্জি, সেগুলোর একটি তালিকা করতে পারেন। স্কিন টেস্ট করে এটা বোঝা যায়। কোনো ওষুধে অ্যালার্জি হলে অবশ্যই তার নাম লিখে রাখবেন এবং চিকিৎসককে অবহিত করবেন।


0 Comments